রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির পছন্দ মির্জা ফখরুল, বুধবার আসতে পারে ঘোষণা

 

দলীয় সূত্রের দাবি, মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন চূড়ান্ত; আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নিয়ে অপেক্ষা

জাতির আলো : প্রতিবেদক

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

সূত্রের দাবি, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত রোববার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির দুজন জ্যেষ্ঠ সদস্যও মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, বুধবার রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত দল কখন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে, তা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম সামনে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। দীর্ঘদিন বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন, দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিজ্ঞতার কারণে তাঁকেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দেখতে চাইছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব—এমনটাই জানা গেছে।

কেন মির্জা ফখরুলকে বেছে নেওয়ার আলোচনা

বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপির কঠিন রাজনৈতিক সময়েও তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে সামনে ছিলেন। রাজপথের আন্দোলন, দলীয় কর্মসূচি, সংবাদ সম্মেলন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশের কাছে তিনি শান্ত ও ধীরস্থির স্বভাবের রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সাধারণত তুলনামূলকভাবে সংযত ভাষা ব্যবহার করেন।

এ কারণে রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি পদের জন্য তাঁর ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে উপযুক্ত মনে করছেন বিএনপির অনেক নেতা।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিএনপির মহাসচিব হিসেবে তিনি দলের নানা সংকটের সময় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বাইরে থাকার সময়ও মির্জা ফখরুল দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলকে সংগঠিত রাখার অভিজ্ঞতা তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি।

বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব পরিস্থিতিতেও তিনি দলের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে দলটির নেতারা মনে করেন।

‘সজ্জন ও শান্ত’ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত

মির্জা ফখরুলকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে শান্ত ও মার্জিত স্বভাবের রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখা হয়।

রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও প্রতিপক্ষ দলের অনেক নেতার সঙ্গেও তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক আলোচনায় শালীনতা বজায় রাখার চেষ্টা করেন—এমন একটি ভাবমূর্তি তাঁর রয়েছে।

বিএনপির নেতাদের একটি অংশ মনে করে, রাষ্ট্রপতি পদে এমন একজন ব্যক্তিকে প্রয়োজন, যিনি দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন এবং সংকটের সময় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজবেন।

মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে তাঁকে এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত মনে করা হচ্ছে।

সংকটের সময় ‘অভিভাবকের’ ভূমিকা

রাষ্ট্রপতি পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদগুলোর একটি। যদিও নির্বাহী ক্ষমতার বড় অংশ সরকারের হাতে থাকে, রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে অনেক সময় রাষ্ট্রের অভিভাবকসুলভ ভূমিকা পালন করতে হয়।

এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, ধীরস্থির এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলার সক্ষমতা রয়েছে—এমন একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হলে তা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় সহায়ক হতে পারে।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব মির্জা ফখরুলের ক্ষেত্রে এই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।

জাতীয় ঐক্যের রাজনীতিতে ভূমিকা

বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা ফখরুলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়।

বিভিন্ন সময়ে বিএনপি যখন সরকারবিরোধী আন্দোলন করেছে, তখন অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও তিনি সামনে ছিলেন।

দলীয় নেতাদের মতে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে শুধু একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেই হবে না; রাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ, সামাজিক সংগঠন ও পেশাজীবী মহলের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে হবে।

এই জায়গায় মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ

বিএনপির নেতাদের দাবি, মির্জা ফখরুল অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার ও অংশগ্রহণের বিষয়েও তিনি বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছেন।

রাষ্ট্রপতি পদে বসলে দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সব নাগরিকের প্রতি সমান দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ কারণে বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সক্ষমতাকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে বিএনপির নেতৃত্ব।

দলের নেতারা মনে করেন, একজন রাষ্ট্রপতির গ্রহণযোগ্যতা শুধু নিজ দলের মধ্যে থাকলেই হয় না; রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন পেশাজীবী মহলের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক মহলেও পরিচিত মুখ

মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলেও পরিচিত।

বিভিন্ন সময়ে বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ফলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিচিত।

তাঁর বাবা রুহুল আমিন (চখা মিয়া) কৃষি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বড় চাচা মির্জা গোলাম হাফিজও দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

মির্জা গোলাম হাফিজ ১৯৭৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রী এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। পরে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

ফলে রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি মির্জা ফখরুল নিজেও দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু

রাজনীতিতে আসার আগে মির্জা ফখরুল শিক্ষকতা পেশায় ছিলেন।

১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। পরে ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা করেন।

এরপর দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। সরকারি চাকরিজীবনে তিনি পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরেও কাজ করেছেন।

শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতা তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সরকারি দায়িত্বেও ছিলেন

মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনেরও অভিজ্ঞতা রয়েছে।

১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৮২ সালে এইচ এম এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর এস এ বারী পদত্যাগ করা পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

পরে আবার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।

সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী

মির্জা ফখরুল ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এরপর তিনি সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

সরকারের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের সংসদীয় ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি হলে মহাসচিব পদে পরিবর্তন

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিবের পদ ছাড়তে হবে কি না, সে বিষয়েও দলের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলীয় সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকে পালন করতে হয়। ফলে তিনি রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব পদে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এ নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

তবে নতুন মহাসচিব কে হবেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন মূল আলোচনা বিএনপির প্রার্থীকে ঘিরে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে দলটি যাঁকে প্রার্থী করবে, তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

সব মিলিয়ে বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত। দলীয় সূত্রের দাবি, তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে দলীয় সিদ্ধান্তের পর্যায়েই দেখা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুলকে প্রার্থী করার পেছনে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্ব, বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং তুলনামূলকভাবে শান্ত ও মার্জিত ভাবমূর্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বুধবার দলীয়ভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অবস্থানও আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পর মির্জা ফখরুল সত্যিই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন কি না, এখন সেই সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল।

image_print
Spread the love
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted