রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন সার্ভার রুম পুড়ে ছাই, বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন; ব্যাহত স্বাভাবিক কার্যক্রম

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাওনিয়ার বেজে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুনে বায়েকের সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। সার্ভার রুমে থাকা কম্পিউটার, এসি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর পাওনিয়ার বেজ ও আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে প্রকল্পের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল), বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ফলে প্রকল্পের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়মিত কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় প্রকল্পে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

গভীর রাতে সার্ভার রুমে আগুন

সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে পাওনিয়ার বেজের সার্ভার রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই সময় সার্ভার রুমে আগুন দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ও ঘন ধোঁয়া আশপাশের কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে এর আগেই সার্ভার রুমসহ কয়েকটি কক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ও নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অগ্নিকাণ্ডের সময় সেখানে কী পরিমাণ সরঞ্জাম ছিল এবং আগুন কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুড়ে গেছে সার্ভারের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি

অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সার্ভার রুম।

সেখানে থাকা কম্পিউটার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্ভার রুমের ক্ষতি হওয়ায় শুধু ওই কক্ষের কার্যক্রম নয়, এর সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন অফিস ও যোগাযোগব্যবস্থাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

প্রকল্পের মতো বড় একটি স্থাপনায় সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সার্ভার রুমের ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

চার ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ

ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

পাবনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিনি জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে জানতে তদন্ত প্রয়োজন। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অর্থাৎ এখনই আগুন লাগার কারণকে চূড়ান্তভাবে শর্টসার্কিট বলা যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এটিকে প্রাথমিক ধারণা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডের পর পাওনিয়ার বেজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। নিরাপত্তার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল কি না কিংবা আগুনের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

বিদ্যুৎ না থাকায় সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোর নিয়মিত কাজেও সমস্যা দেখা দেয়।

শুধু প্রকল্পের অফিস নয়, কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার কথা জানা গেছে।

ফলে প্রকল্প এলাকায় কর্মরতদের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবাতেও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন

অগ্নিকাণ্ডের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে প্রকল্পের ইন্টারনেট ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থায়।

সার্ভার রুম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এনপিসিবিএল ও বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডের পর বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্তও গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানা গেছে।

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় প্রকল্পের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন যোগাযোগ ও নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে।

কর্মরতরা এক অফিস থেকে অন্য অফিসে যোগাযোগ করতে গিয়ে বাড়তি সমস্যায় পড়ছেন।

স্বাভাবিক কাজে বড় ধরনের ব্যাঘাত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী কাজ করেন।

এ ধরনের প্রকল্পে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও সার্ভারব্যবস্থা দৈনন্দিন কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে এসব সেবা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে কাজের গতি কমে যাওয়া স্বাভাবিক।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

কোনো কোনো বিভাগে অনলাইন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। কোথাও আবার প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে।

ফলে অগ্নিকাণ্ডের সরাসরি ক্ষতির পাশাপাশি এর কারণে তৈরি হওয়া পরোক্ষ ক্ষতির পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-নথি নিয়ে উদ্বেগ

সার্ভার রুমে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে সার্ভারে থাকা তথ্যের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।

আগুনে পুড়ে যাওয়া কাগজপত্রের মধ্যে কী ধরনের নথি ছিল এবং সেগুলোর বিকল্প কপি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

প্রকল্পের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার, নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ হয়নি

রূপপুর গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, সার্ভার রুমের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

আগুনে ঠিক কত টাকার সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে, কতগুলো কম্পিউটার বা সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্যান্য অবকাঠামোর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে—এসব হিসাব করতে সময় লাগবে।

ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত হিসাব পাওয়ার পরই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হবে।

কী কারণে আগুন, তদন্তে উত্তর

অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে এখন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে শর্টসার্কিটের কথা বলা হয়েছে।

তবে কোনো বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে নিশ্চিত হতে হবে।

সার্ভার রুমে বিপুলসংখ্যক বৈদ্যুতিক ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম থাকে। ফলে বৈদ্যুতিক ত্রুটি, অতিরিক্ত তাপ বা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়।

তদন্তে আগুনের উৎস, কীভাবে দ্রুত আগুন ছড়িয়েছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কত সময় লেগেছে—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। তাই প্রকল্পের যেকোনো অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি গুরুত্ব বহন করে।

বিশেষ করে সার্ভার রুমের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আগুন লাগায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, আগুন শনাক্ত করতে কত সময় লেগেছে, ফায়ার সার্ভিসকে কত দ্রুত খবর দেওয়া হয়েছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ও পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রকল্পের মূল পারমাণবিক স্থাপনা বা পারমাণবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পানি সরবরাহেও সমস্যা

অগ্নিকাণ্ডের পর কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিন এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে পাম্পসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা সচল রাখতে সমস্যা হতে পারে। এর প্রভাব পানি সরবরাহেও পড়তে পারে।

ফলে অগ্নিকাণ্ডের প্রভাব শুধু সার্ভার রুম বা অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; আশপাশের কিছু সেবাব্যবস্থাতেও এর প্রভাব পড়েছে।

কর্মীদের মধ্যে ভোগান্তি

ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্রকল্পে কর্মরতদের মধ্যে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

বর্তমান সময়ে অফিসের অধিকাংশ কাজই কম্পিউটার, সার্ভার ও ইন্টারনেটনির্ভর। ফলে এসব ব্যবস্থা অচল হলে স্বাভাবিক কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রকল্পের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় সেই যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে।

বিশেষ করে যেসব কাজ অনলাইন তথ্য, সার্ভার বা ডিজিটাল নথির ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোতে বেশি সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

অগ্নিকাণ্ডের পর ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভার রুম দ্রুত পুনরুদ্ধার এবং বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম যাতে দীর্ঘ সময় ব্যাহত না হয়, সে জন্য বিকল্প সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগব্যবস্থা চালুর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

একই সঙ্গে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত নথি ও তথ্যের ব্যাকআপ আছে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা পুনরায় চালু করতে যত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, তত দ্রুত প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরা সম্ভব হবে।

বড় প্রশ্ন এখন ক্ষয়ক্ষতি ও পুনরুদ্ধার নিয়ে

অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এলেও এর প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ, সার্ভার ও তথ্যব্যবস্থার অবস্থা যাচাই এবং বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট সংযোগ দ্রুত স্বাভাবিক করা।

পাশাপাশি আগুনের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত শেষ করা জরুরি।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা যদি তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজন হবে।

আর যদি অন্য কোনো কারণ পাওয়া যায়, সে অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে।

রূপপুর প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এমন অগ্নিকাণ্ড যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে না পারে, সে জন্য অগ্নিনিরাপত্তা, বিদ্যুৎব্যবস্থা, সার্ভার রুমের সুরক্ষা এবং বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি এখন সামনে এসেছে।

সব মিলিয়ে, গভীর রাতের এই আগুনে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ একটি সার্ভার রুম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র তদন্ত শেষ হওয়ার পরই পরিষ্কার হবে।

image_print
Spread the love
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted