কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

বিশেষ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় পৌঁছান। সেখানে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও জড়ো হন। সফরকে কেন্দ্র করে জেলার নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে মৎস্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্থানীয় উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে তিনি মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, মাছের পোনা অবমুক্ত, হ্যাচারি পরিদর্শন, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সহায়তা বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

পুরাতন ব্রহ্মপুত্রে মাছের পোনা অবমুক্ত

পাকুন্দিয়ায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে মাছের পোনাও বিতরণ করার কথা রয়েছে।

এ সময় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা রয়েছে। নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত ও জেলেদের মধ্যে পোনা বিতরণের মধ্য দিয়ে মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন এবং স্থানীয় জেলেদের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।

কিশোরগঞ্জ হাওর, নদী ও বিলবেষ্টিত জেলা। জেলার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরা ও মাছ চাষের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়িত। ফলে মৎস্য খাত স্থানীয় অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় জেলে ও মৎস্যচাষীদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

কটিয়াদীতে হ্যাচারি পরিদর্শন

পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা এলাকায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন।

মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে দেশে মানসম্মত মাছের পোনা উৎপাদন ও সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাচারি থেকে উৎপাদিত পোনা মাছচাষীদের কাছে পৌঁছালে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর হ্যাচারি পরিদর্শনে মৎস্য উৎপাদন, পোনা উৎপাদনের মান, চাষীদের সুযোগ-সুবিধা এবং এই খাতের সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

এরপর দুপুর ১টার দিকে আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ঢাকার বাইরে প্রথম জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন

এবারই প্রথম ঢাকার বাইরে জাতীয় পর্যায়ে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন হচ্ছে। এর জন্য কিশোরগঞ্জকে বেছে নেওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাওর, নদী, বিল ও মিঠাপানির মাছের জন্য বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। এ অঞ্চলের মৎস্য খাতের সম্ভাবনা ও সাফল্যকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতেই এবারের আয়োজন কিশোরগঞ্জে করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যতালিকায় মাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে মাছ চাষ, মাছ ধরা, পোনা উৎপাদন, মাছ পরিবহন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ যুক্ত। ফলে মৎস্য খাত শুধু খাদ্যের জোগানই দেয় না, অনেক মানুষের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি করে।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা উদ্যোক্তাদের পুরস্কৃত করার কথা রয়েছে। মৎস্যচাষী, জেলে, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে যাবেন।

দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ হিসেবে শোলাকিয়ার পরিচিতি রয়েছে। প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় এখানে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

প্রধানমন্ত্রী সেখানে মাঠের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।

একই এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরা হবে। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে।

সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ, এরপর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান

শোলাকিয়ার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর বিকেল ৪টার দিকে তিনি জেলা শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে যাবেন। সেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন অনুদান দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে।

এ ছাড়া মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী দেওয়ার অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রয়োজনীয় পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার পাইলট কার্যক্রম

প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরেই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও পোশাকের ব্যয় কমাতে এ ধরনের উদ্যোগ পরিবারের ওপর চাপ কমাতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কর্মসূচিটি আরও বড় পরিসরে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

উন্নয়ন নিয়ে কিশোরগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কিশোরগঞ্জবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, জেলার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-দাবিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয় মানুষের অন্যতম দাবি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন। জেলার বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত করার দাবি দীর্ঘদিনের।

এর পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবিও রয়েছে। শিল্পকারখানা ও বিনিয়োগ বাড়লে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এখন জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা। কৃষি ও মৎস্যনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি শিল্প ও সেবাখাতেও কর্মসংস্থান বাড়ানোর দাবি রয়েছে।

হাওরের মাছ সংরক্ষণে আধুনিক ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বিপুল পরিমাণ মাছ পাওয়া গেলেও সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নানা সমস্যা রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হাওরের মাছ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগার ও সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এতে মাছ নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমবে এবং জেলেরা তাঁদের উৎপাদিত বা আহরিত মাছের ভালো দাম পেতে পারেন।

মাছ ধরার মৌসুমে বিপুল পরিমাণ মাছ বাজারে আসে। পর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থা না থাকলে তখন দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। আধুনিক সংরক্ষণ ও পরিবহনব্যবস্থা থাকলে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে স্থানীয়দের মত।

পর্যটনেও সম্ভাবনা দেখছেন কিশোরগঞ্জবাসী

হাওর, নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে কিশোরগঞ্জে পর্যটনেরও বড় সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখনো পর্যাপ্ত নয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হাওরভিত্তিক পর্যটনকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে। যাতায়াতব্যবস্থা, নিরাপত্তা, থাকার ব্যবস্থা, পর্যটনকেন্দ্র ও নৌযানসেবার উন্নয়ন করা গেলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষণ করা সম্ভব হবে।

তাঁদের মতে, পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন হলে স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

কৃষি ও মৎস্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা

কিশোরগঞ্জের অর্থনীতিতে কৃষি ও মৎস্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। হাওরাঞ্চলের ধান উৎপাদনের পাশাপাশি মাছ চাষ ও মাছ ধরার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়িত।

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, এসব খাতকে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত বিনিয়োগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা হবে।

কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠলে কৃষকের আয় বাড়তে পারে। একইভাবে মৎস্য খাতে আধুনিক হ্যাচারি, সংরক্ষণাগার, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মৎস্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় স্থানীয় মানুষ এসব বিষয়ে নতুন আশার কথা বলছেন।

সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার কথা

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

এক দিনের এই সফরে মৎস্য, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও স্থানীয় উন্নয়ন—বিভিন্ন খাতের একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানসহ দীর্ঘদিনের দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যারা রয়েছেন

প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।

এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির স্থানীয় নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে তাঁর সফরকে ঘিরে কিশোরগঞ্জবাসীর মূল প্রত্যাশা—মৎস্য ও কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি যোগাযোগ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও পর্যটন উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নেওয়া।

image_print
Spread the love
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted