আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা কাটবে, আশাবাদী জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ সরকারের; গ্রামীণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সমস্যাও সমাধানের আশ্বাস জ্বালানিমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে লোডশেডিং কিছুটা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয় ও জ্বালানির উচ্চমূল্যের চাপ মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুতের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ জন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় বাড়তে থাকায় বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে সরকার সৌরবিদ্যুতের প্রসার ঘটাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, ‘এনার্জির দাম বাড়তে বাড়তে ৩২ ডলারে চলে গেছে। সে জন্য সোলারে যেতে হবে, এখান থেকে পরিত্রাণ পেতে। সোলারকে এগিয়ে নিতে আমরা নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আশা করি, আগামী গ্রীষ্মে সোলার দিয়ে কিছুটা হলেও লোডশেডিং কমাতে পারব।’

জ্বালানিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎকে বিকল্প উৎস হিসেবে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মাধ্যমে প্রচলিত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।

সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে আট মাস ধরে কাজ করছে সরকার

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে গত আট মাস ধরে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী। তাঁর মতে, দেশে সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে।

এ জন্য সৌরবিদ্যুতের সুবিধা সম্পর্কে মানুষকে জানানো এবং এর ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্যও হচ্ছে দেশের মানুষের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি করা।

মন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচলিত ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকতে চায় না। বরং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খাতকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হতে পারে।

তিনি জানান, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করাও সরকারের উদ্যোগের অংশ।

প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে সোলার এক্সপো

বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষকে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা ও ব্যবহার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতে সৌরশক্তির গুরুত্বও তুলে ধরা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের গুরুত্ব ও আগ্রহ আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌরবিদ্যুতের প্রসারে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে এগিয়ে এলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে বিকল্প একটি উৎস তৈরি হতে পারে।

এ কারণে সৌরবিদ্যুৎ সম্পর্কে মানুষের ধারণা বাড়ানো এবং এর ব্যবহারকে জনপ্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের কারণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সমস্যা

গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লোডশেডিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড লাইনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড লাইনে থাকা সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে গ্রামে লোডশেডিং থাকবে না বলে তিনি আশা করেন।

গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করা জরুরি বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

মন্ত্রী বলেন, গ্রিড লাইনের সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে গেলে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এতে সাধারণ মানুষকে ঘন ঘন বিদ্যুৎবিভ্রাটের মুখে পড়তে হবে না।

গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের ওপর মানুষের নির্ভরতা দিন দিন বাড়ছে। কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাসেবা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিদ্যুতের প্রয়োজন রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হলে এর প্রভাব পড়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।

এ অবস্থায় গ্রামীণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর বাসায়ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাসার কথা উল্লেখ করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের বাসায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু করেছেন। এমনকি তিনি গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অফ-গ্রিড ব্যবস্থায় চলে গেছেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও অফ-গ্রিড হয়ে গেছেন। তিনি নিজের বাসায় আর গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন না।

প্রধানমন্ত্রীর নিজের বাসায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু করাকে বিকল্প জ্বালানির প্রতি আগ্রহ তৈরির একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন মন্ত্রী।

সৌরবিদ্যুতের অন্যতম সুবিধা হলো, সূর্যের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। ফলে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হলে প্রচলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর চাপ কমতে পারে।

তবে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে হলে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে সরকার কী ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা রয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের আগের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন

সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিদ্যুৎ খাতের অতীত পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিদ্যুৎ খাতে অনেক উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেই উন্নয়নের বাস্তব ফল নিয়ে এখন প্রশ্ন রয়েছে।

তাঁর অভিযোগ, বিদ্যুৎ খাতে অতীতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। আর সেই লুটপাটের ফল এখন ভোগ করতে হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নের নানা দাবি করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এর প্রভাব ও ফলাফল নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে এখন যে সমস্যাগুলো সামনে আসছে, সেগুলো মোকাবিলা করা জরুরি।

তাঁর বক্তব্যে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি অতীতের ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বিকল্প উৎসের গুরুত্ব বাড়ছে

বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। মন্ত্রীর বক্তব্যেও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান দামের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

তিনি জানান, জ্বালানির দাম বেড়ে ৩২ ডলারে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো ছাড়া বিকল্প পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পারলে জ্বালানি ব্যয়ের চাপ কিছুটা সামাল দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প উৎস তৈরি হলে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করাও সহজ হতে পারে।

এ কারণে সৌরবিদ্যুৎকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। মন্ত্রীর বক্তব্যে আগামী গ্রীষ্মে লোডশেডিং কমানোর ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুতের ভূমিকার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে।

আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির প্রত্যাশা

গ্রীষ্ম মৌসুমে সাধারণত বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। মন্ত্রীর আশা, সৌরবিদ্যুৎ থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে লোডশেডিংয়ের চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।

তবে তিনি লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেননি। বরং সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে কিছুটা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎকে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ জন্য গত আট মাস ধরে কাজ চলছে এবং সাধারণ মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে।

সরকারের প্রত্যাশা, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়লে জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি সক্ষমতা তৈরি হবে এবং আগামী গ্রীষ্মে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড লাইনের সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে গ্রামাঞ্চলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী।

বিকল্প হেডলাইন

1. সৌরবিদ্যুতে ভর করে আগামী গ্রীষ্মে লোডশেডিং কমানোর আশা

2. গ্রীষ্মের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুতের পরিকল্পনা সরকারের

3. সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে লোডশেডিং কমাতে চায় সরকার

4. আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা জ্বালানিমন্ত্রীর

5. জ্বালানির ব্যয় কমাতে সৌরবিদ্যুতে ঝুঁকছে সরকার

6. গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর উদ্যোগ, কমবে লোডশেডিং

আমার সুপারিশ: প্রথম হেডলাইনটি সবচেয়ে ভালো হবে। এতে সৌরবিদ্যুতের পরিকল্পনা এবং আগামী গ্রীষ্মে লোডশেডিং কমানোর প্রত্যাশা—দুটিই সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে উঠে এসেছে।

 

image_print
Spread the love
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted