«مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ، غُرِسَتْ لَهُ نَخْلَةٌ فِي الْجَنَّةِ»
‘যে ব্যক্তি বলবে: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ, [সুবহানাল্লাহিল আযীম ওয়াবিহামদিহী] তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়।
আরেকটি জিকিরের বিবরণ দেখুন
রাসুল (সা.) বলেন:
«يَا عَبْدَ اللَّهِ! قُلْ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، فَإِنَّ لَكَ بِكُلِّ كَلِمَةٍ شَجَرَةً فِي الْجَنَّةِ»
‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি বলো: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। কেননা, প্রত্যেকটি বাক্যের বিনিময়ে জান্নাতে একটি করে গাছ রোপণ করা হয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَبَشِّرِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ
‘সুসংবাদ দাও তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত।’
(সুরা বাকারা, আয়াত: ২৫)
এই আয়াতে জান্নাতের উদ্যান ও শান্তিময় পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। আর আমরা যদি চাই আমাদের জন্য এই বাগানে একটি গাছ হোক, তা সম্ভব শুধু সহজ জিকিরের মাধ্যমে।
আমাদের করণীয়
• প্রতিদিন নির্ধারিত সময় যিকিরে ব্যয় করা
• বাসায়, পথে, ঘুমানোর আগে নিয়মিত সহিহ জিকিরগুলো বলা
• অন্যকে এই আমলের প্রতি উৎসাহিত করা
• শিশুরাও যেন ছোট থেকে জিকির শিখে এবং জান্নাতের প্রতি আকৃষ্ট হয়, সেই ব্যবস্থা করা।