প্রতিটি উপজেলায় হবে ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

দেশের প্রতিটি উপজেলায় বর্তমানে থাকা ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত ও ভালো চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ছুটবে—সরকার শুধু সেই ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে চায় না। বরং রোগ যাতে না হয়, সে জন্য আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তাঁর মতে, রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব বাড়ানো গেলে মানুষ সুস্থ থাকবে এবং একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও রোগীর চাপ কমবে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্যসেবায় বাড়বে সক্ষমতা

দেশের অধিকাংশ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে গ্রাম ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে এসব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই অনেক সময় চিকিৎসার প্রথম ভরসা।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। এসব হাসপাতালকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসার সুযোগ বাড়লে স্থানীয় মানুষকে ছোটখাটো বা মাঝারি ধরনের অসুস্থতার জন্য দূরের জেলা শহর কিংবা রাজধানীতে ছুটতে হবে না।

হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা, জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

রোগ হওয়ার আগে প্রতিরোধে গুরুত্ব

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করা বেশি কার্যকর। তাই বর্তমান সরকার চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে শুধু হাসপাতাল ও চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না। রোগের কারণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

টিকাদান, নিরাপদ পানি ব্যবহার, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর মতে, রোগ প্রতিরোধে আগে থেকে বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মানুষের জীবন ও কর্মক্ষমতা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ইতিহাসে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সরকার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে এই অর্থ ব্যয় করতে চায় বলে জানান তিনি।

বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং টিকাদান কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ছাড়া একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই স্বাস্থ্যসেবাকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দেশজুড়ে কলেরা টিকাদান কর্মসূচি

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে মুখে কলেরার টিকা খাওয়ান। এর মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষকে টিকা নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কলেরা ও ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহজে গ্রহণ করা যায় এমন এই টিকা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের কোনো মানুষ যেন টিকাদানের সুযোগ থেকে বাদ না পড়েন। শহরের পাশাপাশি গ্রাম, চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা এবং দুর্গম জনপদেও টিকা পৌঁছে দিতে হবে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও পৌঁছাতে হবে টিকা

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা ও যোগাযোগে পিছিয়ে থাকা গ্রামগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা মোকাবিলা করেই প্রতিটি মানুষের কাছে কলেরার টিকা পৌঁছে দিতে হবে।

শুধু শহরকেন্দ্রিক টিকাদান কার্যক্রম দিয়ে কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকেও সমানভাবে টিকার আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত করতে হবে। কোনো এলাকার মানুষ যেন দূরত্ব বা যোগাযোগ সমস্যার কারণে টিকা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে নজর দিতে হবে।

টিকাদানকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান

কলেরা টিকাদান কর্মসূচিকে সফল করতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের ওপর নির্ভর না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

সবাই মিলে কাজ করলে টিকাদানকে একটি কার্যকর সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।

তাঁর মতে, কোনো একটি সরকারি সংস্থার উদ্যোগে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি সফল করা কঠিন। মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

কলেরা প্রতিরোধে নিরাপদ পানি জরুরি

কলেরা ও ডায়রিয়া প্রতিরোধে শুধু টিকা নেওয়াই যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রতিদিনের জীবনে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে।

পান করার ক্ষেত্রে যেমন নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি রান্না ও গৃহস্থালির অন্যান্য কাজেও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু পানি বিশুদ্ধ হলেই হবে না, সেটি সঠিকভাবে সংরক্ষণও করতে হবে। অপরিষ্কার পাত্রে পানি রাখলে বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের সুফল নষ্ট হতে পারে।

তাই পানি সংগ্রহ থেকে শুরু করে সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসার চাপ কমাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে মানুষ যদি আগে থেকেই রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতন হয়, তাহলে অনেক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব।

তিনি বলেন, টিকাদান, বিশুদ্ধ পানি, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার মাধ্যমে অনেক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়।

এতে একদিকে মানুষের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, অন্যদিকে হাসপাতালগুলোতেও রোগীর চাপ কমবে। ফলে গুরুতর রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন

কলেরা টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দিলেই দায়িত্ব শেষ হবে না। পরিবারের সদস্যদেরও টিকা নেওয়ার গুরুত্ব বুঝতে হবে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদেরও এ কাজে যুক্ত করা যেতে পারে।

জনগণের মধ্যে টিকা নিয়ে ভুল ধারণা বা ভয় থাকলে তা দূর করতে সঠিক তথ্য প্রচারের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসার সুযোগ বাড়বে

প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসার সুযোগ আরও বাড়বে।

বিশেষ করে গ্রামীণ মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে পারে। বর্তমানে অনেক রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহর কিংবা রাজধানীমুখী হন। এতে রোগী ও স্বজনদের বাড়তি খরচ ও সময় ব্যয় হয়।

উপজেলা পর্যায়ে শয্যা ও চিকিৎসাসেবা বাড়ানো গেলে এই চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। সে জন্য হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সচেতনতা

দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সরকার।

একজন মানুষ কখন হাসপাতালে যাবেন, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তিনি কীভাবে রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন—এ বিষয়ে মানুষকে জানানো।

কলেরা, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের ক্ষেত্রে নিরাপদ পানি ও পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সুযোগ থাকলে টিকা নেওয়ার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে বাড়তি সুরক্ষা পাওয়া যায়।

এ কারণে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাপনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সচিব

দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কলেরা প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

লক্ষ্য—সুস্থ জনগোষ্ঠী

সরকারের স্বাস্থ্য পরিকল্পনায় এখন শুধু রোগের চিকিৎসা নয়, রোগ প্রতিরোধেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালের শয্যা বাড়ানোর উদ্যোগের পাশাপাশি দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপও কমে আসবে।

প্রতিটি উপজেলায় ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রাথমিক ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে এসব উদ্যোগ সফল করতে সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও জরুরি। নিরাপদ পানি ব্যবহার, সঠিকভাবে পানি সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণের মাধ্যমে সবাইকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।