এমপিও শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়তে পারবেন কি না, সিদ্ধান্ত ইসির

শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বাধ্যবাধকতা নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট :

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী আইন, বিধিমালা ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পর্যালোচনা করে কমিশনই ঠিক করবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য কি না।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ কথা জানিয়েছেন।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা তৈরি করা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কমিশন আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্য-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা, সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না।’

শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ইসির হাতে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারি ব্যবস্থার আওতায় বেতন-ভাতা পেলেও তাঁদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

বিশেষ করে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক প্রার্থী হতে চাইলে তাঁকে চাকরির পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে কি না—এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দেবে না। নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার।

তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে কি না, সেটিও কমিশনই নির্ধারণ করবে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে শুধু স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত আইন নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিধানও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় বাধা নেই

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানিয়েছেন মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীর নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

অর্থাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে নির্দিষ্ট ডিগ্রি বা শিক্ষাগত সনদ থাকার শর্ত নেই। তবে প্রার্থীর অন্যান্য যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়গুলো নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

এ কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন, সে বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে অন্যান্য আইনগত শর্তই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কেন আলোচনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের একটি বড় অংশ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক ও স্থানীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও যুক্ত থাকেন।

স্থানীয় পর্যায়ে অনেক শিক্ষকই বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে ভূমিকা রাখেন। এ কারণে তাঁদের কেউ কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী হন।

তবে শিক্ষকতা একটি পেশাগত দায়িত্ব। অন্যদিকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও নিয়মিত সময় ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের বিষয় রয়েছে। ফলে একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক একই সঙ্গে শিক্ষকতা ও জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।

এই জায়গা থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্তের সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সব আইন ও নীতিমালা দেখে নির্বাচন কমিশনই বিষয়টি নির্ধারণ করবে।

আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করবে কমিশন

মীর শাহে আলম বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নির্ধারণের সময় একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত আইন, নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিমালা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা।

কোনো একটি আইন বা নীতিমালার ভিত্তিতে বিষয়টি দেখলে হবে না। সবকিছু মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগতভাবে কতটা যোগ্য, সেটি নির্ধারণ করতে হবে।

এ জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনই নির্বাচনের বিধিমালা তৈরি করে এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয় নির্ধারণ করে। তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়েও কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অধীনে বিভিন্ন ধরনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য আইন ও বিধিমালা রয়েছে।

এসব নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।

এর ফলে কোনো প্রার্থীকে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত ডিগ্রি বা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ দেখিয়ে প্রার্থী হতে হয় না।

তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যান্য আইনগত শর্ত রয়েছে। বয়স, নাগরিকত্ব, ভোটার হওয়া এবং আইন অনুযায়ী কোনো অযোগ্যতা রয়েছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনায় আসে।

এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি সরকারি বা আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী বিবেচনা করতে হয়।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও মূল প্রশ্নটি এখানেই।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কমিশন সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করার পর এ বিষয়ে অবস্থান জানাতে পারে।

তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরির ধরন, তাঁদের ওপর প্রযোজ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা এবং নির্বাচনী আইনের বিধান—সবকিছু বিবেচনা করতে হবে।

এ কারণে এখনই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্তভাবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলার সুযোগ নেই।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ভূমিকা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেশের তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, উন্নয়ন কার্যক্রম, নাগরিক সেবা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এ কারণে এসব নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন, সে বিষয়ে আইনগত স্পষ্টতা থাকা জরুরি।

একইভাবে কোনো পেশাজীবী নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তাঁর পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির দায়িত্বের কোনো সংঘাত তৈরি হবে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাঁরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং তাঁদের নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে হয়।

তাই একজন শিক্ষক জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাঁর শিক্ষকতার দায়িত্ব কীভাবে পরিচালিত হবে, সেটিও সংশ্লিষ্ট নীতিমালার আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

এদিকে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তখনই প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

তিনি জানান, নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সেটিও কমিশনই সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করে ঠিক করবে।

কী সিদ্ধান্ত আসতে পারে

এখন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলের আগ্রহের বিষয় হলো—নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দেয়।

কমিশন যদি মনে করে, বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, তাহলে তাঁদের প্রার্থী হওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

অন্যদিকে চাকরির বিধিমালা বা অন্য কোনো আইনি সীমাবদ্ধতা থাকলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তবে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—শিক্ষাগত যোগ্যতা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নয়।

মূল বিষয় হলো, একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে চাকরির অবস্থান থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত বা নীতিগত বাধা আছে কি না।

এই প্রশ্নের উত্তর দেবে নির্বাচন কমিশন।

সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে শিক্ষকরা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে।

বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ চান।

অন্যদিকে শিক্ষকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশার দায়িত্ব যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে।

ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে কী ধরনের নিয়ম থাকবে, চাকরির দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে এবং নির্বাচিত হলে তাঁদের অবস্থান কী হবে—এসব বিষয়েও ভবিষ্যতে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন হতে পারে।

সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট আইন, নির্বাচনী বিধিমালা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।

তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো বাধা নয়—এ বিষয়টি ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।